logo

Our Blog

বাংলাদেশে কমার্শিয়াল কটন ক্যান্ডি মেশিনের দাম ও ফিচার

বাংলাদেশে কমার্শিয়াল কটন ক্যান্ডি মেশিনের দাম ও ফিচার

কমার্শিয়াল কটন ক্যান্ডি মেশিনের শক্তিশালী পারফরম্যান্স ও দারুণ সুবিধা
মেলা হোক, জন্মদিনের পার্টি হোক কিংবা স্কুলের অনুষ্ঠান—রঙিন তুলোর মতো মিষ্টি দেখলেই বাচ্চারা দৌড়ে আসে। আর যদি সেই তুলোর মিষ্টি কয়েক মিনিটে একের পর এক তৈরি করা যায়, তাহলে তো ব্যবসার হাসি আরও বড় হয়। এই কারণেই কমার্শিয়াল কটন ক্যান্ডি মেশিন এখন ছোট-বড় অনেক ব্যবসায়ীর প্রথম পছন্দ। চলুন একদম সহজ ভাষায় এর প্রতিটি সুবিধা বুঝে নেই।

দ্রুত এবং শক্তিশালী ক্যান্ডি তৈরির ক্ষমতা
এই মেশিনের কাজের গতি দেখে আপনি অবাক হবেন না, বরং খুশি হবেন। এটি প্রতি মিনিটে দুই থেকে তিনটি কটন ক্যান্ডি তৈরি করতে পারে। অর্থাৎ এক ঘণ্টায় প্রায় একশ বিশটি কোণ বানানো সম্ভব।
ভাবুন তো, সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বাচ্চাদের হাতে একের পর এক তুলোর মতো নরম মিষ্টি তুলে দিচ্ছেন, আর তাদের মুখে বড় বড় হাসি ফুটে উঠছে। ব্যবসার জন্য যেমন ভালো, তেমনি আনন্দেরও শেষ নেই।

বড় এবং মজবুত স্টেইনলেস স্টিল বোল
এই মেশিনে রয়েছে আটাশ ইঞ্চি ব্যাসের বড় স্টেইনলেস স্টিল বোল। স্টেইনলেস স্টিল দিয়ে তৈরি হওয়ায় এটি দীর্ঘ সময় ব্যবহারেও টেকসই থাকে এবং বেশি চাহিদার চাপও সহজে সহ্য করতে পারে।
এর ভেতরের ঘূর্ণায়মান হেডে চার আউন্স পর্যন্ত ফ্লস সুগার রাখা যায়। চিনি গলে তৈরি হওয়া মিষ্টি উপরের দিক দিয়ে বের হয়, ফলে ভেতরে আটকে যাওয়ার ঝামেলা কমে যায়। এতে কাজ হয় মসৃণ এবং নিরবচ্ছিন্ন।

বেল্ট চালিত শক্তিশালী অপারেশন
এই কটন ক্যান্ডি মেশিন বেল্ট চালিত পদ্ধতিতে কাজ করে। এটি উচ্চ উৎপাদনের জন্য এক হাজার আশি ওয়াট শক্তি ব্যবহার করে। সঙ্গে থাকে দুইটি অতিরিক্ত বেল্ট, যাতে প্রয়োজনে সহজে বদলানো যায়।
চালানোর জন্য শুধু একশ দশ ভোল্ট বিদ্যুৎ সংযোগ প্রয়োজন। সহজ বিদ্যুৎ সংযোগেই এটি শক্তভাবে কাজ শুরু করে।

শুধু দানাদার চিনি নয়, আরও অনেক কিছু দিয়ে তৈরি করা যায়
এই মেশিন শুধু সাধারণ দানাদার চিনি দিয়েই সীমাবদ্ধ নয়। এটি শক্ত ক্যান্ডিও গলাতে পারে এবং সেখান থেকেও সুস্বাদু তুলোর মতো মিষ্টি তৈরি করতে পারে।
অর্থাৎ আপনি চাইলে বিভিন্ন স্বাদের ক্যান্ডি ব্যবহার করে ভিন্ন ধরনের কটন ক্যান্ডি বানাতে পারবেন। এতে ক্রেতাদের জন্য থাকবে বাড়তি আকর্ষণ।

ব্যবহার করা একদম সহজ
এই কমার্শিয়াল কটন ক্যান্ডি মেশিন ব্যবহার করা খুবই সহজ। জটিল কোনো বোতাম নেই।
শুধু বিদ্যুৎ চালু করুন, তাপ চালু করুন, আর কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপরই আপনি গ্রাহকদের জন্য সুস্বাদু কটন ক্যান্ডি তৈরি করতে পারবেন। নতুন ব্যবহারকারীরাও সহজেই এটি চালাতে পারবেন।

অতিরিক্ত সুগার স্কুপ ও বেল্ট সুবিধা

মেশিনের সঙ্গে দেওয়া হয় একটি বিশেষ সুগার স্কুপ। এর সাহায্যে খুব সহজে চিনি নির্দিষ্ট জায়গায় ঢালা যায়।
এই স্কুপের মাপ এমনভাবে করা যে অতিরিক্ত চিনি পড়ে গিয়ে উপচে পড়ার সম্ভাবনা থাকে না। ফলে অপচয় কমে এবং কাজ থাকে পরিষ্কার।

স্টেইনলেস স্টিল সাপ্লাই ড্রয়ার
মেশিনের নিচে রয়েছে বিল্ট-ইন স্টেইনলেস স্টিল ড্রয়ার। এতে কটন ক্যান্ডির কোণ বা চিনি প্যাকেট সংরক্ষণ করা যায়।
এই ড্রয়ার শক্ত ও টেকসই। ইভেন্ট বা অনুষ্ঠানে যাতায়াতের সময় এটি সরঞ্জাম রাখার জন্য বেশ সুবিধাজনক। মেশিন ব্যবহার করার সময় প্রয়োজনীয় জিনিস হাতের কাছেই থাকে, ফলে কাজ দ্রুত করা যায়।

বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহারযোগ্য
এই কমার্শিয়াল কটন ক্যান্ডি মেশিন মেলা, খেলাধুলার অনুষ্ঠান, পার্টি বা যে কোনো উৎসবের জন্য আদর্শ।
শুধু তাই নয়, রাস্তায় দাঁড়িয়ে ব্যবসা করার জন্যও এটি উপযুক্ত। যেখানেই মানুষের ভিড়, সেখানেই এই মেশিন দিয়ে সহজে কটন ক্যান্ডি বিক্রি করা যায়।

এক বছরের সার্ভিস ওয়ারেন্টি
সাধারণত এই মেশিনের সঙ্গে এক বছরের সার্ভিস ওয়ারেন্টি দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে কোনো সমস্যা হলে বিনামূল্যে সার্ভিস পাওয়া যায়।
ওয়ারেন্টি শেষ হলে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসের জন্য খরচ দিতে হবে। তবুও উন্নত প্রযুক্তি ও দ্রুত কাজের সুবিধার কারণে এটি একটি নির্ভরযোগ্য বিনিয়োগ।

সব মিলিয়ে বলা যায়, কমার্শিয়াল কটন ক্যান্ডি মেশিন শুধু একটি মিষ্টি তৈরির যন্ত্র নয়। এটি দ্রুত উৎপাদন, সহজ ব্যবহার, টেকসই গঠন এবং লাভজনক ব্যবসার একটি চমৎকার সমাধান। আপনি যদি কম খরচে জনপ্রিয় খাদ্যপণ্য বিক্রি করতে চান, তাহলে এটি হতে পারে আপনার ব্যবসার নতুন সম্ভাবনার দরজা।


কমার্শিয়াল কটন ক্যান্ডি মেশিনের আকর্ষণীয় ফিচারগুলো এক নজরে
যারা দ্রুত উৎপাদন, সহজ ব্যবহার আর লাভজনক ব্যবসা একসাথে চান, তাদের জন্য কমার্শিয়াল কটন ক্যান্ডি মেশিন সত্যিই একটি দারুণ সমাধান। শক্ত গঠন, দ্রুত গতি আর স্মার্ট ডিজাইনের কারণে এটি ইভেন্ট, দোকান বা রাস্তার ব্যবসার জন্য খুবই জনপ্রিয়। নিচে এর গুরুত্বপূর্ণ ১০টি ফিচার দেওয়া হলো।


  • উচ্চ গতির উৎপাদন ক্ষমতা, প্রতি মিনিটে দুই থেকে তিনটি কটন ক্যান্ডি তৈরি
  • প্রতি ঘণ্টায় প্রায় একশ বিশটি কোণ প্রস্তুত করার সক্ষমতা
  • আটাশ ইঞ্চি ব্যাসের বড় স্টেইনলেস স্টিল বোল
  • চার আউন্স ফ্লস সুগার ধারণক্ষম ঘূর্ণায়মান হেড
  • বেল্ট চালিত শক্তিশালী এক হাজার আশি ওয়াট মোটর
  • অতিরিক্ত দুইটি রিপ্লেসমেন্ট বেল্ট সুবিধা
  • শুধু দানাদার চিনি নয়, শক্ত ক্যান্ডি গলিয়েও কটন ক্যান্ডি তৈরি করার সুবিধা
  • সহজ কন্ট্রোল সিস্টেম, পাওয়ার ও হিট চালু করলেই ব্যবহারযোগ্য
  • স্টেইনলেস স্টিল বিল্ট-ইন সাপ্লাই ড্রয়ার সংরক্ষণ সুবিধাসহ
  • এক বছরের সার্ভিস ওয়ারেন্টি সুবিধা


    কমার্শিয়াল কটন ক্যান্ডি মেশিন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও সহজ উত্তর
    আপনি যদি কটন ক্যান্ডি ব্যবসা শুরু করতে চান, অথবা এই মেশিন কেনার আগে সব কিছু পরিষ্কারভাবে জানতে চান, তাহলে এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আপনার জন্য। এখানে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ ভাষায়, ধীরে ধীরে ব্যাখ্যা করে দেওয়া হলো, যেন একবার মন দিয়ে পড়লেই পুরো বিষয় পরিষ্কার হয়ে যায়।

    কমার্শিয়াল কটন মেশিন কী?
    কমার্শিয়াল কটন মেশিন হলো এমন একটি যন্ত্র, যা তুলোর মতো নরম মিষ্টি তৈরি করে। এর ভেতরে একটি ঘূর্ণায়মান মাথা থাকে এবং তার সঙ্গে একটি ছোট চিনি রাখার পাত্র থাকে। সেখানে মোটা দানার রঙিন চিনি অথবা আলাদা চিনি ও খাবারের রং দেওয়া হয়। উপরের অংশের চারপাশে হিটার থাকে, যা চিনিকে গলিয়ে ফেলে। এরপর দ্রুত ঘূর্ণনের ফলে সেই গলানো চিনি ছোট ছোট ছিদ্র দিয়ে বাইরে বের হয়ে বাতাসে ঠান্ডা হয়ে সূতার মতো জমে যায়। এভাবেই তৈরি হয় কটন ক্যান্ডি।

    কটন ক্যান্ডি আর ক্যান্ডি ফ্লসের মধ্যে পার্থক্য কী?
    আসলে কটন ক্যান্ডি আর ক্যান্ডি ফ্লসের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। দুটোই একই ধরনের তুলোর মতো মিষ্টি। শুধু নামের পার্থক্য। আমেরিকায় একে কটন ক্যান্ডি বলা হয়, আর ইউরোপে একে ক্যান্ডি ফ্লস বলা হয়। নাম আলাদা হলেও জিনিস একই।

    কটন ক্যান্ডির স্বাদ কেমন?
    কটন ক্যান্ডির স্বাদ সাধারণত খুব মিষ্টি। অনেকে বলে এর স্বাদ ভ্যানিলা বা ক্যারামেলের মতো লাগে। চিনি বেশি এবং টকভাব কম থাকায় এটি নরম, মিষ্টি এবং মুখে দিলেই গলে যায়। তাই শিশু থেকে বড় সবাই এটি পছন্দ করে।

    কটন ক্যান্ডি গোলাপি কেন হয়?
    মেশিনে যখন চিনি দেওয়া হয়, তখন তার সঙ্গে রং ও স্বাদ মেশানো হয়। ঘূর্ণনের সময় চিনি সেই রং ধারণ করে। তাই কটন ক্যান্ডি নীল, গোলাপি বা বেগুনি হতে পারে। আগে কটন ক্যান্ডিকে “ফেয়ারি ফ্লস” নামেও ডাকা হতো।

    কটন ক্যান্ডি মেশিন কীভাবে কাজ করে?
    প্রথমে চিনি ও স্বাদযুক্ত উপাদান খুব বেশি তাপে গলানো হয়। তারপর সেই তরল চিনি দ্রুত ঘূর্ণায়মান একটি পাত্রে যায়, যার চারপাশে খুব ছোট ছোট ছিদ্র থাকে। ঘূর্ণনের কারণে একটি বল তৈরি হয়, যাকে বলা হয় কেন্দ্রাতিগ বল। যেমন কাপড় ধোয়ার মেশিন দ্রুত ঘোরে, তখন কাপড় দেয়ালে লেগে থাকে—এটাই কেন্দ্রাতিগ বল। একইভাবে গলানো চিনি ছিদ্র দিয়ে বাইরে বের হয়ে দ্রুত ঠান্ডা হয়ে সূক্ষ্ম সুতা তৈরি করে। এই সুতা জড়ো হয়ে তুলোর মতো কটন ক্যান্ডি হয়।

    গরমে কটন ক্যান্ডি কি গলে যায়?
    হ্যাঁ, বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলে কটন ক্যান্ডি গলে যেতে পারে। নদীর ধারে, সমুদ্রের পাশে বা বৃষ্টির দিনে এটি দ্রুত নরম হয়ে যায়। কারণ চিনির সুতা বাতাসের পানি টেনে নেয় এবং গলে যায়। তবে শক্তভাবে সিল করা প্লাস্টিক কন্টেইনারে রাখলে এটি পাঁচ থেকে দশ সপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকতে পারে। খোলা বাতাসে রাখলে মাত্র দশ থেকে বিশ মিনিটেই নষ্ট হতে পারে।

    সাধারণ চিনি কি ব্যবহার করা যায়?
    হ্যাঁ, সাধারণ দানাদার চিনি দিয়েই কটন ক্যান্ডি বানানো যায়। আলাদা বিশেষ চিনি লাগবেই এমন নয়। তবে শক্ত বা বড় টুকরো ক্যান্ডি যেমন লাঠি ক্যান্ডি বা শক্ত মিষ্টি সরাসরি ব্যবহার করা যায় না, সেগুলো আগে উপযুক্তভাবে প্রস্তুত করতে হয়।

    রঙিন চিনি কীভাবে তৈরি করবেন?
    প্রথমে একটি বন্ধ করা যায় এমন প্লাস্টিক ব্যাগে চিনি নিন। তারপর দুই থেকে তিন ফোঁটা জেল ফুড কালার দিন। ব্যাগের বাইরে থেকে চিনি ভালোভাবে চেপে মিশিয়ে নিন, যেন রং সমানভাবে ছড়িয়ে যায়। প্রয়োজন হলে আরও রং যোগ করতে পারেন। একইভাবে অন্য রংও তৈরি করা যায়।

    কটন ক্যান্ডি মেশিনে কী দেওয়া হয়?
    মেশিনের ভেতরে একটি ঘূর্ণায়মান মাথা ও চিনি রাখার পাত্র থাকে। সেখানে দানাদার রঙিন চিনি অথবা আলাদা চিনি ও খাবারের রং দেওয়া হয়। বাণিজ্যিক মেশিনে উৎপাদন ক্ষমতা বেশি এবং যন্ত্রাংশ আরও উন্নত মানের হয়।
    ________________________________________
    কটন ক্যান্ডি তৈরি হওয়ার সময় কীভাবে ধরবেন?
    মেশিন প্রতি মিনিটে প্রায় দুইটি কোণ তৈরি করতে পারে। চিনি ঘূর্ণনের উপরের দিক দিয়ে বের হয়। তখন কোণ বা স্টিক দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে সেই সুতা জড়ো করতে হয়। চাইলে বিশেষ ঢাকনাযুক্ত কভার ব্যবহার করা যায়, যা পরিবেশ পরিষ্কার রাখে এবং জীবাণু বা ধুলাবালি থেকে সুরক্ষা দেয়।
    ________________________________________
    কটন ক্যান্ডি এত ফ্লাফি বা তুলোর মতো কেন?
    চিনি খুব বেশি তাপে গলে সূক্ষ্ম সুতা তৈরি করে। এই সুতা খুব হালকা এবং বাতাসে দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায়। অনেক সূক্ষ্ম সুতা একসাথে জমে তুলোর মতো বড় আকার নেয়। তাই এটি দেখতে ও খেতে খুব হালকা লাগে।
    ________________________________________
    কটন ক্যান্ডি কতদিন ভালো থাকে?
    ভালোভাবে সিল করা প্লাস্টিক পাত্রে রাখলে এটি পাঁচ থেকে দশ সপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকতে পারে। খোলা জায়গায় রাখলে মাত্র দশ থেকে বিশ মিনিটের মধ্যে নরম হয়ে যায়। প্যাকেটের গুণমান, বাতাসের আর্দ্রতা, ঘরের তাপমাত্রা—সবকিছুই এর স্থায়িত্বে প্রভাব ফেলে।
    ________________________________________
    ফ্রিজে রাখা যায় কি?
    কটন ক্যান্ডির গঠন ও স্থায়িত্ব তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার ওপর নির্ভর করে। বাতাসে আর্দ্রতা থাকলে এটি দলা পাকিয়ে যেতে পারে। তবে সঠিকভাবে সিল করে শুকনো পরিবেশে রাখলে এটি দীর্ঘ সময় সতেজ রাখা সম্ভব।
    ________________________________________
    বাংলাদেশে কমার্শিয়াল কটন ক্যান্ডি মেশিনের দাম কত?
    বাজারে মজুদ আছে কি না এবং আন্তর্জাতিক বাজারের দামের ওপর নির্ভর করে দাম কমতে বা বাড়তে পারে। বর্তমানে কমার্শিয়াল কটন ক্যান্ডি মেশিনের শুরু মূল্য প্রায় ----- টাকা থেকে শুরু। তবে ফিচার, স্পেসিফিকেশন এবং কাস্টমাইজেশন অনুযায়ী দাম পরিবর্তিত হতে পারে।




Mr. Minar
+8801711998626
Whatsapp
nobarunbd@gmail.com

H#199 (1st Floor), R#01 Mohakhali New DOHS

Categories

সুপারশপের র‍্যাক

কমার্শিয়াল কিচেন ইকুইপমেন্ট

রেস্টুরেন্ট ইকুইপমেন্ট

কার পার্কিং ম্যানেজমেন্ট

ডিজিটাল গেট সিস্টেম

মেটাল ডিটেকটর সিস্টেম

রোড সেফটি প্রোডাক্টস

সুপারশপ ফ্রিজ

সুপারশপ ইকুইপমেন্ট

স্পেশাল প্রোডাক্টস

স্লটারহাউজ ইকুইপমেন্ট

কোল্ড স্টোরেজ সমাধান

Product Tags