logo

Our Blog

কমার্শিয়াল স্টিমার রাইস কুকার মেশিন

কমার্শিয়াল স্টিমার রাইস কুকার মেশিন

কমার্শিয়াল স্টিমার রাইস কুকার মেশিন: বড় রান্নাঘরের আসল হিরো
আপনি যদি এমন জায়গায় রান্না করেন যেখানে একসাথে অনেক মানুষের জন্য ভাত বানাতে হয়, তাহলে সাধারণ রাইস কুকার দিয়ে কাজ চলবে না। তখন দরকার শক্তিশালী, দ্রুত আর ভরসাযোগ্য একটা মেশিন। এই কমার্শিয়াল স্টিমার রাইস কুকার মেশিন ঠিক সেই কাজটাই সহজ করে দেয়। চলুন একদম সহজ ভাষায় পুরো বিষয়টা বুঝে নেওয়া যাক।

ইলেকট্রিক বা গ্যাস – দুইভাবেই চালানো যায়
এই কমার্শিয়াল স্টিমার এমনভাবে তৈরি যে আপনি চাইলে বিদ্যুৎ দিয়ে চালাতে পারবেন, আবার চাইলে গ্যাস দিয়েও ব্যবহার করতে পারবেন।
ধরুন, কোনো দিন বিদ্যুৎ নেই। সমস্যা নেই, গ্যাসে চালান। আবার গ্যাস কম আছে, তখন বিদ্যুতে চালান। এতে করে আপনি প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যুৎ বা গ্যাস সাশ্রয় করতে পারবেন। অর্থাৎ এক মেশিনে দুই সুবিধা।

অটোমেটিক ইলেকট্রিক ইগনিশন সিস্টেম
এই স্টিমারে আছে অটোমেটিক ইলেকট্রিক ইগনিশন ব্যবস্থা। মানে কী?
মানে হলো, গ্যাস জ্বালাতে আলাদা করে ম্যাচ বা লাইটার লাগবে না। মেশিনের নক ঘুরালেই ভেতরের ইলেকট্রনিক ডিভাইস স্পার্ক তৈরি করে, আর সেই স্পার্ক গ্যাস বার্নার জ্বালিয়ে দেয়।
একবার আগুন জ্বলে গেলে আপনি সহজেই ফ্লেম বা আগুনের তাপমাত্রা নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী কম-বেশি করতে পারবেন। কাজ সহজ, ঝামেলা কম।

সঠিক তাপমাত্রা সব ট্রেতে সমানভাবে পৌঁছে যায়
এই কমার্শিয়াল স্টিমারে আছে শক্তিশালী সাইড-মাউন্টেড কনভেকশন ফ্যান।
এগুলোর কাজ হলো দ্রুত ভাপ বা স্টিম পুরো চেম্বারের ভেতরে ছড়িয়ে দেওয়া। ফলে ভেতরে থাকা সব ট্রেতে সমান তাপমাত্রা পৌঁছে যায়।
এর ফল কী? সব ট্রের ভাত একরকমভাবে সেদ্ধ হয়। ভাত দেখতে ঝরঝরে, আকর্ষণীয় এবং একদম টাটকা লাগে।

একসাথে অনেক ভাত রান্নার ক্ষমতা
এই রাইস স্টিমার মেশিন এক ব্যাচে ৪৮ কেজির বেশি ভাত খুব দ্রুত রান্না করতে পারে।
ধরুন আপনার রেস্টুরেন্টে হঠাৎ অনেক কাস্টমার চলে এলো। তখন এই মেশিন দ্রুত বড় পরিমাণ ভাত তৈরি করে রেস্টুরেন্টের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। রাশ আওয়ারে এটা সত্যিকারের সহায়ক।

১২ ট্রে – প্রতিটি ট্রেতে ৪ কেজি ভাত
এই গ্যাস রাইস স্টিমার বিভিন্ন ক্যাপাসিটিতে পাওয়া যায়। তবে স্ট্যান্ডার্ড মডেলে থাকে ১২টি ট্রে।
প্রতিটি ট্রেতে এক ব্যাচে ৪ কেজি করে ভাত স্টিম করা যায়।
মানে হিসাব করলে বুঝতেই পারছেন, একবারে অনেক ভাত রান্না করা সম্ভব। বড় ক্যান্টিন বা হোটেলের জন্য একদম উপযুক্ত।

বিল্ট-ইন ইলেকট্রিক টাইমার
এই কমার্শিয়াল রাইস স্টিমারে রয়েছে বিল্ট-ইন ইলেকট্রিক টাইমার।
আপনি নির্দিষ্ট সময় সেট করে দিলেই স্টিম চালু থাকবে। সময় শেষ হলে মেশিন নিজে থেকে বিপ শব্দ দেবে। তখন বুঝবেন আপনার কাজ শেষ।
এতে করে ব্যাচ কুকিং করা সহজ হয় এবং একটার পর একটা রান্না করা যায়, কোনো বিরতি ছাড়াই।

কোথায় ব্যবহার করা যায়
এই কমার্শিয়াল গ্যাস স্টিমার বিশেষভাবে উপযোগী সেইসব জায়গার জন্য, যেখানে নিয়মিত অনেক মানুষের জন্য ভাত রান্না করতে হয়। যেমন –
কারখানা, স্কুল, সরকারি অফিস, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ক্যান্টিন, বাংলাদেশ আর্মি, বিজিবি, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী, র‍্যাব অফিস, হাসপাতাল, ক্লিনিক, সুপারমার্কেট, হোটেল, মিনি সুপার শপ, স্টুডেন্ট হোস্টেল, রেস্টুরেন্ট ইত্যাদি।
যেখানে প্রতিদিন বহু মানুষ ভাত অর্ডার করে, সেখানে এই কমার্শিয়াল স্টিমার রাইস কুকার মেশিন সত্যিই লাইফ সেভার হয়ে ওঠে।

কম মেইনটেন্যান্স, ব্যবহার করা সহজ
এই কমার্শিয়াল রাইস স্টিমারে আছে উচ্চমানের জেনারেটর এবং ব্রয়লার।
এগুলো এমনভাবে তৈরি যে রক্ষণাবেক্ষণ কম লাগে এবং পরিষ্কার করার সময় কোনো ধরনের কঠিন কেমিক্যাল ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় না।
এটি একটি ইউজার-ফ্রেন্ডলি মেশিন। প্রয়োজন হলে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় সহজেই সরানো যায়।


শেষ কথা
যেখানে প্রতিদিন অনেক মানুষের জন্য ভাত রান্না করতে হয়, সেখানে এই কমার্শিয়াল স্টিমার রাইস কুকার মেশিন সময় বাঁচায়, শ্রম কমায় এবং উৎপাদন বাড়ায়।
সহজ অপারেশন, বড় ক্যাপাসিটি, কম মেইনটেন্যান্স আর সমান তাপমাত্রায় রান্না—সব মিলিয়ে এটি বড় রান্নাঘরের জন্য একটি কার্যকর সমাধান।
আপনি যদি বড় স্কেলে ভাত রান্না করেন, তাহলে এই মেশিন আপনার কাজকে অনেক সহজ করে দেবে।


এই কমার্শিয়াল স্টিমার রাইস কুকার মেশিনটি বড় রান্নাঘরের কাজ সহজ, দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত করার জন্য তৈরি। নিচে এর গুরুত্বপূর্ণ ফিচারগুলো দেওয়া হলো, যা একে শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য করে তুলেছে।
ডুয়াল অপারেশন সিস্টেম (ইলেকট্রিক ও গ্যাস)
প্রতি ব্যাচে ৪৮ কেজির বেশি রান্নার ক্ষমতা
১২টি হেভি ডিউটি স্টেইনলেস স্টিল ট্রে
অটোমেটিক ইলেকট্রিক ইগনিশন সিস্টেম
বিল্ট-ইন স্মার্ট টাইমার কন্ট্রোল
শক্তিশালী স্টিম সার্কুলেশন ফ্যান
এনার্জি সাশ্রয়ী ও খরচ কম
লো মেইনটেন্যান্স জেনারেটর ও বয়লার
ফুড-গ্রেড স্টেইনলেস স্টিল বডি
বাল্ক কমার্শিয়াল রান্নার জন্য উপযুক্ত


যেকোনো কমার্শিয়াল মেশিন কেনার আগে স্পেসিফিকেশন ভালো করে দেখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সাইজ, ক্ষমতা, গ্যাস খরচ, পাওয়ার এবং ব্যবহার উপযোগিতা ঠিকমতো না মিললে পরে ঝামেলা হতে পারে। তাই অর্ডার দেওয়ার আগে নিচের স্পেসিফিকেশনগুলো ভালোভাবে মিলিয়ে নিন, যাতে আপনার প্রয়োজনের সাথে পুরোপুরি মানানসই হয়।

অনেকেই কমার্শিয়াল গ্যাস রাইস স্টিমার মেশিন কেনার আগে বা ব্যবহার করার আগে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন

 কীভাবে ব্যবহার করবেন, কত পানি লাগবে, কত সময় লাগবে, স্বাস্থ্যকর কিনা—এসব বিষয় পরিষ্কার জানা খুব জরুরি। নিচে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরগুলো সহজ ভাষায় বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো। মন দিয়ে পড়লে আপনার সব দ্বিধা দূর হয়ে যাবে এবং মেশিনটি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাবেন। 

গ্যাস রাইস স্টিমার মেশিন
কমার্শিয়াল গ্যাস রাইস স্টিমার মেশিন কী?
কমার্শিয়াল গ্যাস রাইস স্টিমার মেশিন হলো বড় পরিসরে ভাত রান্নার জন্য তৈরি একটি শক্তিশালী ও পেশাদার মানের মেশিন। এটি ভাপের মাধ্যমে দ্রুত ও সমানভাবে ভাত রান্না করে। রেস্টুরেন্ট, হোটেল, ক্যান্টিন বা যেসব জায়গায় প্রতিদিন অনেক মানুষের জন্য ভাত রান্না করতে হয়, সেখানে এই মেশিন খুব কার্যকর। এতে সময় বাঁচে, উৎপাদন বাড়ে এবং ভাতের মান একরকম থাকে।
অটোমেটিক কুকিং কমার্শিয়াল গ্যাস রাইস স্টিমার মেশিনে কীভাবে ভাত রান্না করবেন?
প্রথমে চাল কতটা শুকনো তা দেখে নিতে হবে। সাধারণভাবে আধা থেকে এক গ্লাস পানি চালের সাথে মিশিয়ে নিতে হয়। এরপর ট্রেগুলো বন্ধ করে কুক মোড চালু করতে হবে। নির্দিষ্ট সময় পর মেশিন “কিপ ওয়ার্ম” মোডে গেলে ট্রে খুলে ভাত নেড়ে দেখতে হবে সঠিকভাবে সেদ্ধ হয়েছে কি না। প্রয়োজনে আবার কিছু সময় রান্না করতে হবে, যতক্ষণ না ভাত নরম ও আর্দ্র হয়।
আলাদা স্টিমার ব্যবহার করলে প্রথমে ট্যাঙ্কে পানি দিতে হবে। এরপর চাল ও পানি একটি পাত্রে নিয়ে স্টিমিং ট্রের ওপর রাখতে হবে এবং ঢাকনা লাগাতে হবে। পানি ফুটতে শুরু করলে প্রায় ৩০ মিনিট ভাপে রাখলে ভাত ভালোভাবে সেদ্ধ হবে।
কমার্শিয়াল গ্যাস রাইস স্টিমার মেশিনে ধাপে ধাপে ভাত রান্নার নিয়ম কী?
প্রথমে প্রয়োজন অনুযায়ী চাল ওজন করে একটি বাটিতে নিতে হবে। তারপর চাল ধুতে হবে যতক্ষণ না পানি পরিষ্কার হয়। পরিষ্কার চাল মেশিনের ভেতরের প্যানে নিতে হবে। প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি যোগ করতে হবে। এরপর প্যানটি মেশিনের ভেতরে বসিয়ে ঢাকনা ভালোভাবে বন্ধ করে মেশিন চালু করতে হবে। নির্দিষ্ট সময় পর ভাত প্রস্তুত হবে।
রাইস কুকারে কীভাবে খাবার স্টিম করবেন?
প্রথমে পাত্রে পানি দিতে হবে। এরপর স্টিমিং বক্সে আপনার পছন্দের সবজি বা খাবার রেখে সেটি পানির ওপরে বসাতে হবে। ঢাকনা লাগিয়ে বোতাম চাপতে হবে। খাবার আপনার পছন্দমতো নরম হলে মেশিন বন্ধ করতে হবে।
কমার্শিয়াল গ্যাস রাইস স্টিমার মেশিনে কি মুরগি রান্না করা যায়?
হ্যাঁ, এই মেশিনে মুরগি রান্না করা যায়। স্যুপ ট্রেতে মুরগি ফুটালে তা নরম ও রসালো থাকে এবং একই সাথে ভাতেও স্বাদ যোগ করে। এক পাত্রে সবজি ও কাঁচা মুরগি একসাথে রান্না করা যায়, তবে নিশ্চিত করতে হবে মুরগি সম্পূর্ণ সেদ্ধ হয়েছে এবং নিরাপদ তাপমাত্রায় পৌঁছেছে।
মুরগির বুকের মাংস ফুটানো ভালো, নাকি স্টিম করা ভালো?
মুরগির বুকের মাংস স্টিম করা বেশি ভালো। কারণ স্টিম করলে মাংস নরম ও রসালো থাকে এবং অতিরিক্ত সেদ্ধ হয়ে শক্ত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে।
স্টিম করা মুরগি কি স্বাস্থ্যকর?
হ্যাঁ, স্টিম করা মুরগি খুবই স্বাস্থ্যকর। এতে অতিরিক্ত তেল বা চর্বি ব্যবহার করতে হয় না। ভাপের মাধ্যমে রান্না করলে স্বাদ, পুষ্টি ও আর্দ্রতা বজায় থাকে।
কমার্শিয়াল গ্যাস রাইস স্টিমার মেশিন কি ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে পারে?
স্টিম কুকিং প্রায় ৯৯.৯ শতাংশ ব্যাকটেরিয়া, জীবাণু ও ডাস্ট মাইট ধ্বংস করতে সক্ষম। এর মধ্যে ই-কোলাই, স্ট্যাফ ব্যাকটেরিয়া, সালমোনেলা এবং অন্যান্য ক্ষতিকর অণুজীব অন্তর্ভুক্ত। উচ্চ তাপমাত্রার ভাপে এসব জীবাণু নষ্ট হয়ে যায়।
লবস্টার রান্নায় ফুটানো ভালো, নাকি স্টিম করা ভালো?
যদি সম্পূর্ণ সেদ্ধ লবস্টার মাংস প্রয়োজন হয়, তাহলে ফুটানো ভালো। তবে স্টিম করলে মাংস তুলনামূলকভাবে নরম থাকে এবং স্বাদ বেশি বজায় থাকে। স্টিম করা লবস্টার অতিরিক্ত সেদ্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও কম।
কমার্শিয়াল গ্যাস রাইস স্টিমার মেশিনে কতটুকু পানি দিতে হয়?
সাদা লম্বা দানার চালের জন্য ১ কাপ চালের সাথে প্রায় ১ ও ৩/৪ কাপ পানি দিতে হয়।
সাদা মাঝারি দানার চালের জন্য ১ কাপ চালের সাথে প্রায় ১ ও ১/২ কাপ পানি দিতে হয়।
সাদা ছোট দানার চালের জন্য ১ কাপ চালের সাথে প্রায় ১ ও ১/৪ কাপ পানি দিতে হয়।
স্টিম করা ফুটানোর চেয়ে কেন ভালো?
স্টিম করলে খাবার সরাসরি ফুটন্ত পানির মধ্যে থাকে না। ফলে পুষ্টিগুণ তুলনামূলকভাবে বেশি বজায় থাকে। এতে কম পানি ও কম শক্তি লাগে এবং খাবারের গুণাগুণ কম নষ্ট হয়।

স্টিম করা কি ফুটানোর চেয়ে দ্রুত?
অনেক ক্ষেত্রে স্টিম করা ফুটানোর চেয়ে দ্রুত হয়। বড় পাত্রে পানি ফুটতে সময় লাগে, কিন্তু স্টিমিং তুলনামূলকভাবে সময় সাশ্রয়ী।
স্টিমিং ও ফুটানোর মধ্যে পার্থক্য কী?
ফুটানোর ক্ষেত্রে খাবার সরাসরি পানির মধ্যে সেদ্ধ হয়। আর স্টিমিংয়ে খাবার ফুটন্ত পানির ওপরে একটি ঝাঁঝরি বা ট্রের ওপর থাকে এবং ভাপের মাধ্যমে সেদ্ধ হয়।
কমার্শিয়াল গ্যাস রাইস স্টিমার মেশিনে ভাত স্টিম করতে কত সময় লাগে?
মাঝারি আঁচে পানি ফুটিয়ে চাল দিয়ে ঢেকে রাখতে হয়। সাধারণত ১৬ থেকে ১৮ মিনিটে ভাত নরম হয়ে পানি শোষণ করে নেয়। এরপর চুলা বন্ধ করে আরও ১০ মিনিট ঢাকনা দেওয়া অবস্থায় রাখলে ভাত সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত হয়।
কমার্শিয়াল গ্যাস রাইস স্টিমার মেশিনের দাম বাংলাদেশে কত?
পণ্যের স্টক ও আন্তর্জাতিক বাজারের দামের ওপর নির্ভর করে মূল্য কম-বেশি হতে পারে। বর্তমানে এই মেশিনের শুরুমূল্য প্রায় ----- টাকা। তবে ফিচার, স্পেসিফিকেশন ও কাস্টমাইজেশনের ওপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত দাম পরিবর্তিত হতে পারে।




Mr. Minar
+8801711998626
Whatsapp
nobarunbd@gmail.com

H#199 (1st Floor), R#01 Mohakhali New DOHS

Categories

সুপারশপের র‍্যাক

কমার্শিয়াল কিচেন ইকুইপমেন্ট

রেস্টুরেন্ট ইকুইপমেন্ট

কার পার্কিং ম্যানেজমেন্ট

ডিজিটাল গেট সিস্টেম

মেটাল ডিটেকটর সিস্টেম

রোড সেফটি প্রোডাক্টস

সুপারশপ ফ্রিজ

সুপারশপ ইকুইপমেন্ট

স্পেশাল প্রোডাক্টস

স্লটারহাউজ ইকুইপমেন্ট

কোল্ড স্টোরেজ সমাধান

Product Tags