
রেস্টুরেন্টে কাজ করেন? পিজ্জা, পাস্তা বা সালাদ বানান? তাহলে একটা জিনিস আপনার খুব দরকার — এমন একটা ফ্রিজ যা কম জায়গা নেবে, কিন্তু কাজ দেবে অনেক। আন্ডার কাউন্টার সালাদ বার ডিসপ্লে রেফ্রিজারেটর ঠিক সেই কাজটাই করে। এখন খুব সহজ ভাষায় সবকিছু বুঝে নেওয়া যাক।
বডি ম্যাটেরিয়াল মজবুত ও অ্যান্টি-রাস্ট
এই আন্ডার কাউন্টার সালাদ বার ডিসপ্লে রেফ্রিজারেটর তৈরি করা হয়েছে ১ মিমি নন-ম্যাগনেট শিট দিয়ে। এই শিট খুব ভালো মানের, তাই সহজে মরিচা ধরে না। মানে অ্যান্টি-রাস্ট।
এর ভেতরে ব্যবহার করা হয়েছে থাইল্যান্ড এবং চায়না থেকে আমদানিকৃত ভালো মানের ম্যাটেরিয়াল। তাই এই কমার্শিয়াল রেস্টুরেন্ট সালাদ বার রেফ্রিজারেটর অনেকদিন টিকবে। একবার কিনলে বারবার চিন্তা করতে হবে না।
টেম্পারেচার – সবসময় ৫ ডিগ্রিতে ফ্রেশ
এই কমার্শিয়াল সালাদ বার ডিসপ্লে ফ্রিজারের টেম্পারেচার ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে থাকে।
সবচেয়ে ভালো বিষয় হলো, এতে অটোমেটিক টেম্পারেচার কন্ট্রোল আছে। মানে আপনাকে বারবার হাতে টেম্পারেচার ঠিক করতে হবে না। আপনি সালাদ ভেতরে রাখলেই ফ্রিজ নিজে নিজে ঠিক তাপমাত্রায় রাখবে, যাতে সবজি ও সালাদ ফ্রেশ থাকে।
দরজা ও সাইজ – আপনার পছন্দ মতো
এই কমার্শিয়াল রেফ্রিজারেটরের ২ দরজা এবং ৩ দরজার ভার্সন আছে।
একটি ২ দরজার ভার্সনে প্রতিটি দরজার দৈর্ঘ্য ৫ ফুট ২২ ইঞ্চি এবং উচ্চতা ২৮ ইঞ্চি।
আরেকটি ২ দরজার ভার্সনে দরজার দৈর্ঘ্য ৪ ফুট ১৭ ইঞ্চি এবং উচ্চতা ১৬ ইঞ্চি।
৩ দরজার ভার্সনের দৈর্ঘ্য ৬ ফুট এবং উচ্চতা ২১ ইঞ্চি।
এতগুলো অপশন রাখা হয়েছে যাতে আপনি নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিতে পারেন।
বোল সাইজ – সামনে থাকবে আপনার সালাদ
এই ডিসপ্লে রেফ্রিজারেটরের সামনে থাকে সালাদ রাখার বোল।
এখানে ৭ ইঞ্চি এবং ১০.৫ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের অপশন আছে। বোলের উচ্চতা ৪ ইঞ্চি।
যদি আপনি আরও বড় সাইজের বোল চান, সেটাও দেওয়া যাবে। মানে আপনার ব্যবসা যেমন, বোল তেমন।
পাওয়ার ডিটেইলস – কম বিদ্যুতে বেশি কাজ
এই মেশিন ৪০০ ওয়াট এবং ২২০ ভোল্টে চলে।
এটি খুব কম বিদ্যুৎ খরচ করে। নিয়মিত ব্যবহার করলে মাসে আনুমানিক ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা বিদ্যুৎ বিল হতে পারে।
মানে কাজও হবে, বিদ্যুৎ বিলেও চাপ পড়বে না।
থার্মোস্ট্যাট কন্ট্রোল – নিজে নিজে বন্ধ হয়
এই কমার্শিয়াল সালাদ বার রেফ্রিজারেটরে থার্মোস্ট্যাট কন্ট্রোল আছে।
সালাদ বা সবজি নির্দিষ্ট ঠান্ডা হলে এটি নিজে নিজে বন্ধ হয়ে যায়। আবার প্রয়োজন হলে চালু হয়।
আপনাকে সুইচ অফ করতে ভুলে গেলে কোনো সমস্যা নেই। মেশিন নিজেই বিদ্যুৎ সেভ করবে।
সেলস-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন – কাস্টমাইজ করা যায়
এই আন্ডার কাউন্টার সালাদ বার ডিসপ্লে রেফ্রিজারেটরের ডিজাইন কাস্টমাইজ করা যায়।
কেউ চাইলে ক্যানোপি বা ছাদের মতো ডিজাইন নিতে পারেন। কেউ চাইলে বুফে শেলফ টাইপ ডিজাইন নিতে পারেন।
আপনার রেস্টুরেন্ট বা কিচেনের সাজের সাথে মিলিয়ে ডিজাইন বেছে নিতে পারবেন।
শেলফ সিস্টেম (ঐচ্ছিক)
এই ডিসপ্লে ফ্রিজে একটি শেলফ আছে যেখানে আপনি সবজি বা অন্য জিনিস রাখতে পারবেন।
ফলে সালাদ এক জায়গায়, অন্য জিনিস আরেক জায়গায় রাখতে হবে না। সব একসাথে থাকবে। এতে কাজ করা সহজ হবে।
হুইল সিস্টেম – সহজে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায়
এতে কার্যকর হুইল সিস্টেম আছে।
মানে আপনি চাইলে ফ্রিজটি সহজেই এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় সরাতে পারবেন। রেস্টুরেন্টে জায়গা বদলালে সমস্যা নেই।
ওয়ারেন্টি – ১ বছরের নিশ্চিন্ত সাপোর্ট
আমরা দিচ্ছি ১ বছরের সার্ভিস ওয়ারেন্টি।
এই সময়ের মধ্যে কোনো সমস্যা হলে সার্ভিস ফ্রি পাবেন।
ওয়ারেন্টি শেষ হলে সার্ভিস বা যন্ত্রাংশের জন্য আলাদা খরচ দিতে হবে।
সব মিলিয়ে, আন্ডার কাউন্টার সালাদ বার ডিসপ্লে রেফ্রিজারেটর হলো এমন একটি মেশিন যা কম জায়গায় বেশি সুবিধা দেয়। সালাদ ফ্রেশ রাখে, বিদ্যুৎ সেভ করে, ডিজাইন সুন্দর করে, আর আপনার ব্যবসাকে আরও প্রফেশনাল দেখায়।
রেস্টুরেন্ট, ফুড কোর্ট, পিজ্জা শপ, স্কুল ক্যান্টিন—যেখানেই হোক, এই মেশিন আপনার কাজ অনেক সহজ করে দেবে।
এই আন্ডার কাউন্টার সালাদ বার ডিসপ্লে রেফ্রিজারেটরের এমন কিছু বিশেষ ফিচার আছে যা আপনার ব্যবসাকে এক ধাপ এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে। নিচে সহজ ভাষায় ১০টি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার দেওয়া হলোঃ
মজবুত ১ মিমি নন-ম্যাগনেট বডি
অ্যান্টি-রাস্ট ও দীর্ঘস্থায়ী নির্মাণ
অটোমেটিক ৫ ডিগ্রি টেম্পারেচার কন্ট্রোল
৪০০ ওয়াট কম বিদ্যুৎ খরচ
২ ও ৩ দরজার কাস্টমাইজ অপশন
সামনের ডিসপ্লে বোল সিস্টেম
ডিজাইন কাস্টমাইজ সুবিধা
অতিরিক্ত শেলফ অপশন
সহজে সরানোর জন্য হুইল সিস্টেম
১ বছরের সার্ভিস ওয়ারেন্টি
আন্ডার কাউন্টার সালাদ ডিসপ্লে রেফ্রিজারেটর সম্পর্কে প্রশ্ন ও সহজ উত্তর
অনেকেই এই মেশিনটি সম্পর্কে জানতে চান, কিন্তু টেকনিক্যাল ভাষা বুঝতে গিয়ে কনফিউশনে পড়ে যান। তাই এখানে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর খুব সহজভাবে, ধাপে ধাপে বুঝিয়ে দেওয়া হলো। যেনো ছোট বাচ্চা থেকে বড় সবাই সহজে বুঝতে পারেন।
আন্ডার কাউন্টার সালাদ ডিসপ্লে রেফ্রিজারেটর কী?
আন্ডার কাউন্টার সালাদ ডিসপ্লে রেফ্রিজারেটর হলো এমন একটি মেশিন, যা বিশেষভাবে সালাদ ও সবজি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়। এর মূল কাজ হলো সালাদকে দীর্ঘ সময় তাজা রাখা।
এই মেশিন পরিবেশবান্ধব এবং স্বাস্থ্যসম্মতভাবে খাবারের সতেজতা ধরে রাখে। এটি কাউন্টারের নিচে বসানো যায় এবং উপরের অংশে সালাদ সুন্দরভাবে ডিসপ্লে করা যায়। ফলে খাবার যেমন ফ্রেশ থাকে, তেমনি গ্রাহকরাও সহজে দেখতে পারেন।
এটি খাবারের সতেজতা বজায় রাখতে দারুণ পারফরম্যান্স দেয়।
এই কমার্শিয়াল রেস্টুরেন্ট সালাদ বার রেফ্রিজারেটর কীভাবে কাজ করে?
এই কমার্শিয়াল সালাদ বার রেফ্রিজারেটর খাবার নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করে। এটি এমনভাবে তৈরি, যাতে ব্যাকটেরিয়া সহজে খাবার নষ্ট করতে না পারে।
সালাদের বোল সামনে থাকে। আপনি যখন রেস্টুরেন্টে পিজ্জা বা পাস্তা বানাচ্ছেন, তখন আপনার সামনে ফ্রেশ সালাদ প্রস্তুত অবস্থায় থাকে।
আপনি ফ্রিজের উপরের অংশে সবজি কাটতে পারেন। পিজ্জার ডো তৈরি করতে পারেন। আর সামনে রাখা বোল থেকে সরাসরি সালাদ ব্যবহার করতে পারেন।
এছাড়া সালাদ বার অংশ উপরে থাকে, যাতে গ্রাহকরা নিজেরাই দেখে পছন্দমতো আইটেম বেছে নিতে পারেন।
এই আন্ডার কাউন্টার রেফ্রিজারেটরের ধারণক্ষমতা কত?
এই রেফ্রিজারেটরের ধারণক্ষমতা ৩৫০ লিটার পর্যন্ত। এতে অনেক পরিমাণ সালাদ ও সবজি রাখা যায় এবং সবসময় তাজা থাকে।
আপনি চাইলে ১৫০ লিটার থেকে ৩৫০ লিটার পর্যন্ত ধারণক্ষমতা কাস্টমাইজ করতে পারেন।
মানে আপনার ব্যবসার আকার অনুযায়ী আপনি নিজের পছন্দের ক্যাপাসিটি বেছে নিতে পারবেন।
কেন আন্ডার কাউন্টার সালাদ ডিসপ্লে রেফ্রিজারেটর প্রয়োজন?
এই রেফ্রিজারেটর সালাদ সংরক্ষণ করে দীর্ঘ সময় ফ্রেশ রাখে।
রেস্টুরেন্ট বা ফুড মার্কেটে আপনি এটিকে বুফে টেবিল হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। গ্রাহকরা নিজের পছন্দের সালাদ নিজেই বেছে নিতে পারবেন।
এটি বাগানের সবজি সংরক্ষণের জন্যও দারুণ একটি সমাধান।
এই ফ্রিজ ব্যবহার করলে আপনার রেস্টুরেন্টে স্বাস্থ্যকর ও তাজা খাবার পরিবেশন করা সহজ হবে। একই সঙ্গে সালাদ নষ্ট হওয়া কমবে।
কোথায় এই কমার্শিয়াল ডিসপ্লে রেফ্রিজারেটর ব্যবহার করা যায়?
এই ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেফ্রিজারেটর রেস্টুরেন্টে ব্যবহার করা যায়, বিশেষ করে যেখানে পিজ্জা বা পাস্তা তৈরি হয়।
এছাড়া ফুড মার্কেট, স্কুল ক্যান্টিন, ফুড কোর্ট—এমন জায়গায় ব্যবহার করা যায় যেখানে বেশি পরিমাণ খাবার তৈরি হয়।
এই মেশিন খাবার অপচয় কমায় এবং সময় বাঁচায়।
বডি ম্যাটেরিয়াল কী?
এই সালাদ বার রেফ্রিজারেটর ১ মিমি নন-ম্যাগনেট শিট দিয়ে তৈরি।
এটি খুব টেকসই এবং দীর্ঘস্থায়ী। বাইরের অংশ ইনসুলেটেড, ফলে ভেতরের গ্যাস বাইরে বের হয় না।
এতে থাইল্যান্ড ও চায়না থেকে আমদানিকৃত উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন নিশ্চিন্তে ব্যবহার করা যাবে।
সার্ভিস ওয়ারেন্টি কি দেওয়া হয়?
এই কমার্শিয়াল সালাদ বার রেফ্রিজারেটরের জন্য ২ বছরের সার্ভিস ওয়ারেন্টি দেওয়া হয়।
কোনো সমস্যা হলে সরাসরি যোগাযোগ করা যাবে।
কত বিদ্যুৎ খরচ করে?
এই রেফ্রিজারেটর অন্য অনেক ফ্রিজের তুলনায় কম বিদ্যুৎ খরচ করে।
থার্মোস্ট্যাট সিস্টেম থাকার কারণে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বিদ্যুৎ নষ্ট হয় না।
নিয়মিত ব্যবহার করলে মাসিক বিদ্যুৎ বিল আনুমানিক ৫০০ থেকে ৭৫০ টাকার মধ্যে থাকতে পারে।
চালু হতে কত সময় লাগে?
এই মেশিন সম্পূর্ণ অটোমেটিক।
চালু করতে আলাদা সময় লাগে না।
খাবার ঠান্ডা হলে এটি নিজে নিজে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য।
আপনাকে বারবার অন বা অফ করতে হবে না।
কীভাবে ব্যবহার করবেন?
ব্যবহার করা খুব সহজ।
সালাদ ও সবজি বোলের মধ্যে রাখুন।
মেশিন নিজে থেকেই সেগুলো ঠান্ডা রাখবে।
আপনাকে বাড়তি কিছু করতে হবে না।
বিদ্যুৎ ছাড়া ব্যবহার করা যায় কি?
না, এই মেশিন বিদ্যুৎ ছাড়া চলবে না।
এটি চালানোর জন্য বিদ্যুৎ প্রয়োজন।
খাবার ঠান্ডা হলে প্রয়োজনমতো বের করে নিতে হবে।
অন্য ফ্রিজের থেকে এটি আলাদা কেন?
এই রেফ্রিজারেটরে রয়েছে দীর্ঘস্থায়ী বডি, ২ বছরের ওয়ারেন্টি, বিল্ট-ইন ইভাপোরেটর এবং নন-পলিউটিং ডিজাইন।
এটি কম বিদ্যুৎ খরচ করে, নিচে চাকা আছে, ডিজাইন কাস্টমাইজ করা যায়, দরজার সাইজ বেছে নেওয়া যায়, ক্যাপাসিটি ১৫০ থেকে ৩৫০ লিটার পর্যন্ত নেওয়া যায়।
খাবার ঠান্ডা হলে নিজে বন্ধ হয়ে যায়।
রেস্টুরেন্ট, মল, ক্যান্টিন সব জায়গার জন্য উপযোগী।
এই সব সুবিধা একসাথে অন্য ফ্রিজে পাওয়া কঠিন।
ডাইমেনশন কত?
দৈর্ঘ্য ৫ ফুট ৬০ ইঞ্চি।
প্রস্থ ২.৫ ফুট ৩০ ইঞ্চি।
উচ্চতা ৩৩ ইঞ্চি।
তবে চাইলে সাইজ কাস্টমাইজ করা যায়।
কোন দেশে তৈরি? আমাদের দেশে বানানো যায় কি?
এটি একটি বাংলাদেশি প্রোডাক্ট।
থাইল্যান্ড ও চায়না থেকে আনা যন্ত্রাংশ ব্যবহার করা হয়।
চাইলে দেশেই তৈরি করা সম্ভব।
বিশেষত্ব কী?
এই মেশিন দিয়ে একসাথে তিনটি কাজ করা যায়।
সালাদ কাটা, বোলের মধ্যে রাখা এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঠান্ডা রাখা।
পাশাপাশি পিজ্জা ডো তৈরি করা বা অন্য কাজও করা যায়।
একটি মেশিনে একাধিক কাজ করার সুবিধা পাওয়া যায়।
ঢাকার ভিতরে ও বাইরে কীভাবে পাবেন?
ঢাকায় থাকলে সরাসরি অফিসে এসে দেখে কিনতে পারবেন।
ঢাকার বাইরে থাকলে কুরিয়ার কন্ডিশনাল পেমেন্টে নেওয়া যাবে।
নাম, মোবাইল নম্বর, ঠিকানা এবং ১০০০ টাকা অগ্রিম বিকাশ বা ব্যাংকে পাঠাতে হবে।
অগ্রিম পাওয়ার পর ১–২ দিনের মধ্যে কুরিয়ারে পাঠানো হবে।
কুরিয়ার খরচ ক্রেতাকে বহন করতে হবে।
Categories
সুপারশপের র্যাক
কমার্শিয়াল কিচেন ইকুইপমেন্ট
রেস্টুরেন্ট ইকুইপমেন্ট
কার পার্কিং ম্যানেজমেন্ট
ডিজিটাল গেট সিস্টেম
মেটাল ডিটেকটর সিস্টেম
রোড সেফটি প্রোডাক্টস
সুপারশপ ফ্রিজ
সুপারশপ ইকুইপমেন্ট
স্পেশাল প্রোডাক্টস
স্লটারহাউজ ইকুইপমেন্ট
কোল্ড স্টোরেজ সমাধান
Product Tags