
ধরো তুমি একটি অফিস, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ জায়গার দায়িত্বে আছো। তোমার কাজ হলো—যে ঢুকবে সে যেন অনুমতি নিয়ে ঢোকে, আর যে বের হবে সে যেন ঠিকভাবে বের হয়। এখন প্রশ্ন হলো, কীভাবে এটা সহজ, দ্রুত আর নিরাপদভাবে করা যায়? এখানেই ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার গেটের দরকার হয়।
চলো এবার একদম সহজ ভাষায় এর প্রতিটি ফিচার বুঝে নেই, যেন ছোট থেকে বড় সবাই পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারে।
শক্ত ও টেকসই উপাদান
ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার গেট খুব শক্ত এবং টেকসই উপাদান দিয়ে তৈরি। এতে মূলত দুইটি অংশ থাকে—একটি হলো বডি বা হাউজিং, আরেকটি হলো ব্যারিয়ার উইং।
হাউজিং অংশটি তৈরি করা হয় উচ্চমানের স্টেইনলেস স্টিল দিয়ে। এই স্টিল সহজে মরিচা ধরে না এবং রঙও ফ্যাকাশে হয় না। ফলে বহু বছর ব্যবহার করলেও এটি নতুনের মতোই দেখায়।
অন্যদিকে ব্যারিয়ার উইং তৈরি হয় অ্যাক্রিলিক প্লাস্টিক শিট দিয়ে। এটি দেখতে সুন্দর, হালকা এবং যথেষ্ট মজবুত।
দুই দিক দিয়ে চলাচলের সুবিধা
এই ইলেকট্রিক ইনডোর সিকিউরিটি ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ারে দুই দিক দিয়ে চলাচলের সুবিধা রয়েছে।
মানে, একই গেট দিয়ে প্রবেশ এবং বের হওয়া দুইটাই করা যায়। ব্যারিয়ারের দুই পাশেই এক্সেস কন্ট্রোল ডিভাইস বসানো যায়। সঠিক অনুমতি থাকলে একজন ব্যক্তি একই পথ দিয়ে ঢুকতে ও বের হতে পারেন।
এ কারণে এটি ব্যবহার করা খুবই সুবিধাজনক।
খুব দ্রুত কাজ করার ক্ষমতা
এই কমার্শিয়াল ওয়াকওয়ে টার্নস্টাইল ব্যারিয়ার গেট কাজ করে খুব দ্রুত গতিতে।
মাত্র এক সেকেন্ডের মধ্যে এটি খুলে এবং বন্ধ হয়ে যায়। এই সময়ের মধ্যেই একজন ব্যক্তি গেট পার হতে পারেন। ফলে নিরাপত্তা বজায় থাকে এবং অযথা ভিড়ও হয় না।
এক মিনিটে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন মানুষ এই গেট পার হতে পারেন। তাই যেখানে মানুষের চলাচল বেশি, সেখানে এটি খুব কার্যকর।
একাধিক এক্সেস সিস্টেম
অটোমেটিক ইনডোর সিকিউরিটি ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ারে একাধিক আধুনিক এক্সেস সিস্টেম ব্যবহার করা যায়।
এই গেটে বিভিন্ন ধরনের এক্সেস কন্ট্রোল ডিভাইস বসানো যায়। যেমন আরএফআইডি কার্ড, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস রিকগনিশন ইত্যাদি ব্যবহার করে প্রবেশ করা যায়।
ফলে ব্যবহারকারী নিজের সুবিধামতো পদ্ধতি বেছে নিতে পারেন।
স্মার্ট ডাটা সংরক্ষণ ব্যবস্থা
ইলেকট্রিক টার্নস্টাইল সিকিউরিটি ব্যারিয়ার গেট ডাটা সংরক্ষণ সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত করা যায়।
এটি অনুমোদিত ব্যবহারকারীর তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। যেমন কখন ঢুকেছে, কখন বের হয়েছে, কতবার প্রবেশ ও প্রস্থান করেছে—এসব তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যারে জমা হয়।
এছাড়া মোট কতজন ব্যক্তি গেট ব্যবহার করেছে, সেটিও গণনা করা যায়। অফিস বা প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে এসব তথ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
একাধিক কার্যকর ফাংশন
ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার গেটে অনেক কার্যকর ফাংশন রয়েছে।
এতে স্বয়ংক্রিয় খোলা ও বন্ধ হওয়ার সুবিধা আছে। যদি বিদ্যুৎ চলে যায়, ব্যারিয়ার উইং নিজে থেকেই খুলে যায়। আবার বিদ্যুৎ ফিরে এলে এটি আবার বন্ধ হয়ে যায়।
এছাড়া এতে সেলফ টেস্ট ফাংশন, অ্যান্টি কলিশন, অ্যান্টি টেইলিং, অ্যান্টি পাঞ্চিং, অটোমেটিক রিসেট এবং ইনফ্রারেড ডুয়াল ক্লিপ ফাংশন রয়েছে। এসব ফিচার একসাথে কাজ করে নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করে।
জরুরি অবস্থায় সহজ বের হওয়ার সুবিধা
নিরাপত্তা গেটে জরুরি অবস্থার কথা মাথায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আগুন, ভূমিকম্প বা অন্য কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে অনেক মানুষকে একসাথে বের হতে হতে পারে। তখন যদি সবাইকে একে একে বের হতে হয়, তাহলে সময় বেশি লাগবে।
এই কারণে ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ারে একটি জরুরি এক্সেস অপশন রয়েছে। এই অবস্থায় ব্যারিয়ার উইং খোলা অবস্থায় থাকে, যাতে দ্রুত সবাই বের হতে পারে।
সিঙ্গেল অথবা ডাবল উইং অপশন
সিকিউরিটি ইনডোর ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার গেট এক বা দুই উইং হতে পারে।
সিঙ্গেল উইং ব্যারিয়ারে একটি উইং থাকে। ডাবল উইং ব্যারিয়ারে বাম ও ডান পাশে দুইটি আলাদা উইং থাকে। এগুলো আলাদাভাবে কাজ করতে পারে।
যেখানে একাধিক ওয়াকওয়ে থাকে, সেখানে ডাবল উইং ব্যারিয়ার খুব কার্যকর। এটি মাঝখানে বসিয়ে দুই পাশের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
এলইডি নির্দেশক ব্যবস্থা
হেভি ডিউটি অটোমেটিক ফ্ল্যাপ সিকিউরিটি ব্যারিয়ারে সামনে ও উপরে এলইডি ডিসপ্লে থাকে।
এই ডিসপ্লেতে তীর চিহ্ন দিয়ে নির্দেশনা দেখানো হয়। যখন উইং বন্ধ থাকে, তখন লাল আলো এবং নিচের দিকে তীর দেখায়। এর মানে হলো প্রবেশের অনুমতি নেই।
যখন এক্সেস যাচাই হয়ে যায়, তখন উইং খুলে যায় এবং সবুজ আলো সহ উপরের দিকে তীর দেখায়। এতে ব্যবহারকারী সহজেই বুঝতে পারেন কী করতে হবে।
আকর্ষণীয় ডিজাইন ও রঙ
কমার্শিয়াল আউটডোর ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার গেট বিভিন্ন আকর্ষণীয় ডিজাইনে পাওয়া যায়।
হাউজিং বড়, মোটা বা বাঁকা ডিজাইনের হতে পারে। সাধারণত রঙ সিলভার হয়, তবে লাল, কমলা, কালো ইত্যাদি রঙও পাওয়া যায়।
ব্যারিয়ার উইং সাধারণত ত্রিভুজ আকৃতির বাঁকা ডিজাইনের হয়। এর রঙ লাল, নীল, সিলভার, কমলা ইত্যাদি হতে পারে।
সব মিলিয়ে এটি দেখতে খুব চকচকে ও আধুনিক লাগে।
সব দিক বিবেচনা করলে বোঝা যায়, ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার গেট শুধু একটি গেট নয়। এটি একটি স্মার্ট, দ্রুত এবং আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা যেকোনো প্রতিষ্ঠানের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণকে সহজ ও কার্যকর করে তোলে।
ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার গেটের গুরুত্বপূর্ণ ফিচার এক নজরে
আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার গেট এখন খুবই জনপ্রিয়। শক্ত গঠন, দ্রুত গতি এবং স্মার্ট কন্ট্রোল সিস্টেমের কারণে এটি অফিস, বিশ্ববিদ্যালয়, বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যবহার করা হয়। নিচে এর ১০টি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার সংক্ষেপে দেওয়া হলো।
শক্ত ও টেকসই স্টেইনলেস স্টিল বডি
মজবুত অ্যাক্রিলিক ব্যারিয়ার উইং
দুই দিক দিয়ে চলাচলের সুবিধা
মাত্র এক সেকেন্ডে খোলা ও বন্ধ
প্রতি মিনিটে ৩০–৪০ জন পার হওয়ার সক্ষমতা
আরএফআইডি, ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ফেস রিকগনিশন সাপোর্ট
স্মার্ট ডাটা সংরক্ষণ ব্যবস্থা
জরুরি অবস্থায় স্বয়ংক্রিয় খোলা
সিঙ্গেল ও ডাবল উইং অপশন
এলইডি নির্দেশক সহ আকর্ষণীয় ডিজাইন
ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার গেট সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও সহজ উত্তর
আপনি যদি কোনো অফিস, বিশ্ববিদ্যালয়, কারখানা বা সুরক্ষিত স্থানের জন্য ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার গেট ব্যবহার করার কথা ভাবেন, তাহলে আগে পুরো বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানা খুব জরুরি। নিচে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর একদম সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হলো, যেন একবার মন দিয়ে পড়লেই সব পরিষ্কার হয়ে যায়।
ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার কী?
ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার হলো একটি নিরাপত্তা ওয়াকওয়ে গেট, যা কোনো জায়গার প্রবেশপথে বসানো হয়। এর কাজ হলো অনুমোদিত প্রবেশ এবং প্রস্থান নিশ্চিত করা। গেটটি খুব দ্রুত খোলে ও বন্ধ হয়। কেউ ভেতরে ঢুকতে চাইলে তার অবশ্যই অনুমোদন থাকতে হবে। সঠিক অনুমতি না থাকলে গেট খুলবে না।
ফ্ল্যাপ সিকিউরিটি ব্যারিয়ার কেন ব্যবহার করা হয়?
ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার ব্যবহার করা হয় কোনো জায়গাকে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করার জন্য। এর প্রযুক্তি এমন উন্নত যে অনুমতি ছাড়া কেউ ভেতরে ঢুকতে পারে না। ফলে জায়গাটি নিরাপদ থাকে। যাদের সঠিক অনুমোদন আছে, তারাই শুধু গেট পার হতে পারে। এছাড়া এটি দ্রুত কাজ করে, তাই অল্প সময়ের মধ্যে অনেক মানুষ একে একে প্রবেশ করতে পারে।
ইলেকট্রিক ফ্ল্যাপ গেট ব্যবহার করার সুবিধা কী?
ইলেকট্রিক ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার গেট ব্যবহার করলে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। এটি খুব দ্রুত প্রবেশের সুযোগ দেয়। এর ব্যারিয়ার সিস্টেম নিখুঁতভাবে কাজ করে, ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রবেশ ঘটে না। একাধিক স্মার্ট পদ্ধতিতে এটি ব্যবহার করা যায়। এতে বিভিন্ন আধুনিক ফাংশন রয়েছে যা নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করে। ব্যবহারকারীদের জন্য পরিষ্কার নির্দেশনা ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া এটি খুব কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে।
অটোমেটিক ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ারের ধরন কী কী?
অটোমেটিক ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার দুই ধরনের হতে পারে। উইংয়ের সংখ্যার ভিত্তিতে এটি সিঙ্গেল উইং বা ডাবল উইং হতে পারে। আবার ওয়াকওয়ে সিস্টেম অনুযায়ী এটি এক পাশের ওয়াকওয়ে বা দুই পাশের ওয়াকওয়ে হতে পারে।
ইলেকট্রিক ফ্ল্যাপ সিকিউরিটি গেটের আকার কেমন?
ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার গেট বিভিন্ন আকারে পাওয়া যায়। সাধারণত এর উচ্চতা প্রায় ৪০ ইঞ্চি। দৈর্ঘ্য ৪৮ থেকে ৫৫ ইঞ্চির মধ্যে এবং প্রস্থ ৭ থেকে ১২ ইঞ্চির মধ্যে হয়। ব্যারিয়ার উইংয়ের পুরুত্ব প্রায় ১০ মিলিমিটার হতে পারে।
অটোমেটিক ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ারের পথের প্রস্থ কত?
দুইটি ব্যারিয়ারের মাঝখানে হাঁটার জন্য একটি পথ থাকে। এই পথের প্রস্থ সাধারণত ২২ থেকে ২৪ ইঞ্চির মধ্যে হয়।
অটোমেটেড ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ারের আকৃতি কেমন?
ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার দুটি অংশ নিয়ে তৈরি হাউজিং এবং ব্যারিয়ার উইং। হাউজিং সাধারণত আয়তাকার হয়, তবে বাঁকা ডিজাইনও হতে পারে। ব্যারিয়ার উইং সাধারণত ত্রিভুজ আকৃতির বাঁকা হয়।
ফ্ল্যাপ সিকিউরিটি ব্যারিয়ার খুলতে ও বন্ধ হতে কত সময় লাগে?
এই গেট খুব দ্রুত কাজ করে। মাত্র এক সেকেন্ডের মধ্যে এটি খুলে এবং বন্ধ হয়ে যায়। এই সময়ের মধ্যেই নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
এক মিনিটে কতজন পার হতে পারে?
অটোমেটিক ইনডোর সিকিউরিটি ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ারের পার হওয়ার হার অনেক বেশি। এক মিনিটে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন অনুমোদিত ব্যক্তি একে একে পার হতে পারেন।
ফ্ল্যাপ ইনডোর ব্যারিয়ারের মোটরের কাজের তাপমাত্রা কত?
এই গেটের মোটর -৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে +৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রায় কাজ করতে পারে। অর্থাৎ ঠান্ডা ও গরম দুই পরিবেশেই এটি ব্যবহার করা যায়।
ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ারের রঙ কী কী?
ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার বিভিন্ন আকর্ষণীয় রঙে পাওয়া যায়। হাউজিংয়ের সাধারণ রঙ সিলভার হলেও লাল, কমলা, কালো ইত্যাদিও পাওয়া যায়। উইংয়ের রঙ লাল, নীল, সিলভার, কমলা ইত্যাদি হতে পারে।
এতে কি এলইডি নির্দেশক থাকে?
হ্যাঁ, ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ারে সামনে ও উপরে এলইডি নির্দেশক থাকে। উইং বন্ধ থাকলে লাল আলো ও নিচের তীর চিহ্ন দেখায়। অনুমোদন যাচাই হলে সবুজ আলো ও উপরের তীর দেখিয়ে উইং খুলে যায়।
কীভাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রবেশ করা যায়?
ইলেকট্রিক টার্নস্টাইল ব্যারিয়ার বিভিন্ন অটোমেটিক সিস্টেমের মাধ্যমে চালানো যায়। আরএফআইডি কার্ড, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস রিকগনিশন ইত্যাদি ব্যবহার করে প্রবেশ ও প্রস্থান করা যায়।
এতে কি ডাটা সংরক্ষণ ব্যবস্থা আছে?
হ্যাঁ, এতে স্মার্ট ডাটা স্টোরেজ সিস্টেম রয়েছে। ব্যবহারকারীর প্রবেশ ও প্রস্থানের সময়, কতবার ঢুকেছে বা বের হয়েছে—এসব তথ্য সফটওয়্যারে সংরক্ষণ হয়। মোট কতজন ব্যবহার করেছে সেটিও গণনা করা যায়। অফিস বা প্রতিষ্ঠানের জন্য এসব তথ্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
কোথায় ব্যবহার করা যায়?
ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার মূলত ইনডোর প্রবেশ নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি অফিস, বিশ্ববিদ্যালয়, বিমানবন্দর, সীমাবদ্ধ এলাকা, সরকারি অফিস, বৈজ্ঞানিক গবেষণাগারসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যবহার করা হয়।
এতে কি সেলফ চেক ফাংশন আছে?
হ্যাঁ, এতে সেলফ চেক ফাংশন রয়েছে। কেউ ভুল বা অবৈধ পদ্ধতিতে প্রবেশের চেষ্টা করলে এটি তা শনাক্ত করে এবং লাল আলো জ্বালিয়ে সতর্ক করে।
বডি কোন উপাদানে তৈরি?
এর হাউজিং তৈরি হয় উচ্চমানের স্টেইনলেস স্টিল দিয়ে, যা মরিচা ধরে না এবং রঙ নষ্ট হয় না। ব্যারিয়ার উইং তৈরি হয় শক্ত ও টেকসই অ্যাক্রিলিক প্লাস্টিক দিয়ে।
এতে কি অটোমেটিক রিসেট ফাংশন আছে?
হ্যাঁ, অনুমোদন পাওয়ার পর যদি এক সেকেন্ডের মধ্যে ব্যবহারকারী গেট পার না হন, তাহলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। আবার প্রবেশ করতে হলে নতুন করে অনুমতি নিতে হবে।
পাওয়ার ভোল্টেজ কত?
এই গেট ১১০ থেকে ২৪০ ভোল্ট এসি বিদ্যুতে চলে। এর মোটরের ভোল্টেজ ২৪ ভোল্ট ডিসি।
বিদ্যুৎ খরচ কত?
এটি খুব কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। সাধারণত ৩০ থেকে ৬০ ওয়াট শক্তি ব্যবহার করে। তাই এটি খরচ সাশ্রয়ী।
সেকেন্ডারি পাওয়ার দিয়ে চালানো যায় কি?
হ্যাঁ, মূল বিদ্যুতের পাশাপাশি আইপিএস, জেনারেটর, ব্যাটারি বা সোলার প্যানেল দিয়েও চালানো যায়।
বিদ্যুৎ চলে গেলে কী হয়?
বিদ্যুৎ চলে গেলে ব্যারিয়ার উইং স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যায়। বিদ্যুৎ ফিরে এলে এটি আবার নিজে থেকে বন্ধ হয়ে যায়।
জরুরি অবস্থায় কি ব্যবস্থা আছে?
হ্যাঁ, জরুরি অবস্থায় ব্যারিয়ার উইং খোলা অবস্থায় রাখা যায়। আগুন বা ভূমিকম্পের মতো পরিস্থিতিতে সবাই দ্রুত বের হতে পারে।
এটি কি আমদানি করা হয়?
হ্যাঁ, আমরা নিরাপত্তা ওয়াকওয়ে ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার আমদানি করি। মূলত চীনভিত্তিক পণ্য সরবরাহ করা হয়, তবে প্রয়োজন হলে অন্য দেশ থেকেও আনা সম্ভব।
রক্ষণাবেক্ষণ কেমন?
এই গেট প্রায় রক্ষণাবেক্ষণমুক্ত। শুধু সেন্সরগুলো ঠিকমতো কাজ করছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।
ওয়ারেন্টি কেমন?
ইলেকট্রিক ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার গেটের সঙ্গে ১ বছরের সার্ভিস ওয়ারেন্টি দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে সমস্যা হলে দ্রুত সার্ভিস পাওয়া যায়।
বাংলাদেশে দাম কত?
মজুদ ও আন্তর্জাতিক বাজারের অবস্থার ওপর দাম পরিবর্তিত হতে পারে। বর্তমানে ফ্ল্যাপ ব্যারিয়ার গেটের শুরু মূল্য প্রায় ১,৬৫,০০০ টাকা থেকে। আকার ও স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী দাম বাড়তে বা কমতে পারে।
Categories
সুপারশপের র্যাক
কমার্শিয়াল কিচেন ইকুইপমেন্ট
রেস্টুরেন্ট ইকুইপমেন্ট
কার পার্কিং ম্যানেজমেন্ট
ডিজিটাল গেট সিস্টেম
মেটাল ডিটেকটর সিস্টেম
রোড সেফটি প্রোডাক্টস
সুপারশপ ফ্রিজ
সুপারশপ ইকুইপমেন্ট
স্পেশাল প্রোডাক্টস
স্লটারহাউজ ইকুইপমেন্ট
কোল্ড স্টোরেজ সমাধান
Product Tags